সাপনামা

সাপ দেখে নি, এমন মানুষ পৃথিবীতে নেই। আমরা কমবেশি সবাই সাপ দেখে অভ্যস্ত- হোক তা চিড়িয়াখানায়, ছবিতে কিংবা খোদ বন্ধুমহলে। বহুল পরিচিত কিছু সাপ নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন।

 ) “কিছু পারি নাসাপ

এই প্রজাতির সাপ সাধারনত বিষাক্ত হয় না। তারা সারাবছর মানুষের থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখে। শোনা যায়, এই প্রজাতির সাপ বই-খাতা এবং নোটসের প্রতি বিশেষভাবে আকৃষ্ট – কখনও কখনও এগুলো পেঁচিয়ে শুয়ে থাকতেও দেখা যায়। এই সাপের বিশেষত্ব হচ্ছে যে, পরীক্ষার আগে মনুষ্য সংস্পর্শে আসলে তারা কিছুই পারে না, কিছুই পড়ে নি এমন ভাণ করতে পছন্দ করে। তবে ইতিহাস বলে, তাদের ফলাফল সবসময় প্রথম দিকেই থাকে।

) “খোদার কসমসাপ

এই ধরনের সাপ কমবেশি সবার আশেপাশেই আছে। ক্ষেত্রবিশেষে তারা বিষাক্ত হতে পারে, তবে তারা সচরাচর ফণা তুলে না। তবে তারা কথা দিয়ে কথা না রাখায় বিশেষ পারদর্শী। তাদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তারা প্রায় সবসময়ঔ মিথ্যা বলে, এবং বেশ বিশ্বাসযোগ্য ভাবেই বলে। প্রয়োজনের সময় এদের সচরাচর খুঁজে পাওয়া যায় না।

) নাগিন

এটি সর্পকুলের সবচাইতে ভয়ংকর এবং বিষাক্ত প্রজাতি। শোনা যায়, অমাবস্যা পূর্ণিমায় তারা ঘনিষ্ট বন্ধুর বেশ ধারন করতে পারে। এই প্রজাতির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তারা সবসময় পিছন থেকে ছোবল মারে এবং কিছু বুঝে উঠার আগেই তাদের বিষ মানুষকে ধরাশায়ী করে দেয়। এই সাপের পুরুষ প্রজাতি সংখ্যায় তুলনামূলকভাবে কম

) কালকেউটে

এই প্রজাতির প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তারা ধর্ম-বর্ণ-লিঙ্গ নির্বিশেষে সবাইকে দংশন করে। গবেষণা বলে, তাদের বিষ একবার শরীরে প্রবেশ করলে সহজে বের করা যায় না। এই প্রজাতি সাধারণত প্রতি পরিবার বা ক্লাসে একটা করে থাকে। সুসংবাদ হচ্ছে এই প্রজাতিকে চিহ্নিত করা খুব সহজ- তাদের সবকিছুই বিষাক্ত।

সাপ, ফুল, লতাপাতা নিয়ে আরো জানতে চোখ রাখুন তরুণের পেইজে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *